একটি নূরানী মাদ্রাসা সাধারণত শিশুদের প্রাথমিক দ্বীনি শিক্ষা ও সুন্দর চরিত্র গঠনের ভিত্তি তৈরি করে। তাই এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হওয়া উচিত সুস্পষ্ট, বাস্তবসম্মত এবং সময়োপযোগী।
নূরানী মাদ্রাসার লক্ষ্য (Objectives)
সহীহ কুরআন শিক্ষা
নূরানী কায়দা অনুযায়ী শুদ্ধ উচ্চারণে কুরআন পড়ানো
তাজবীদের প্রাথমিক নিয়ম শেখানো
দ্বীনি জ্ঞান অর্জন
ফরজ ইবাদত, দোয়া, মাসআলা-মাসায়েল শেখানো
আকাইদ ও মৌলিক ইসলামি জ্ঞান প্রদান
আখলাক ও চরিত্র গঠন
সত্যবাদিতা, আদব, শিষ্টাচার ও আমল শেখানো
শিশুদের মধ্যে ইসলামী মূল্যবোধ তৈরি করা
শিশুবান্ধব পরিবেশ
ভালোবাসা ও যত্নের মাধ্যমে শিক্ষাদান
ভয়মুক্ত ও আনন্দদায়ক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলা
অভিভাবক সচেতনতা
অভিভাবকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ
ঘরে দ্বীনি পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করা
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা (Future Plans)
১. শিক্ষার মান উন্নয়ন
প্রশিক্ষিত ও আদর্শ শিক্ষক নিয়োগ
নিয়মিত শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা
২. পাঠ্যক্রম সম্প্রসারণ
নূরানী থেকে নাজেরা ও হিফজে উন্নীত করার ব্যবস্থা
প্রাথমিক আরবি ভাষা শিক্ষা সংযোজন
৩. আধুনিক ব্যবস্থাপনা
ডিজিটাল হাজিরা ও ফলাফল সংরক্ষণ
সিলেবাস ও রুটিন লিখিত আকারে সংরক্ষণ
৪. অবকাঠামো উন্নয়ন
পরিষ্কার ও নিরাপদ শ্রেণিকক্ষ
শিশুদের জন্য আলাদা খেলাধুলার জায়গা
৫. সামাজিক কার্যক্রম
কুরআন প্রতিযোগিতা ও ইসলামী অনুষ্ঠান আয়োজন
দরিদ্র ও এতিম শিশুদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা
৬. দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য
আদর্শ নূরানী মাদ্রাসা হিসেবে এলাকায় পরিচিত হওয়া
ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা